Below Main Menu
মেনু
News16
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা
কনভার্টার

তাহমিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক, এরপরই সিলেটে ট্রিপল মার্ডার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬ 131 বার পঠিত
তাহমিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক, এরপরই সিলেটে ট্রিপল মার্ডার
ছবি : প্রধান সন্দেহভাজন বাবুল মিয়া (৪০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
Single News Top

সিলেটের রায়নগরে একই বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাকে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন বাবুল মিয়া (৪০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল একাই তিনজনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম এসব তথ্য জানান।

পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রযুক্তির সহায়তা ও পারিপার্শ্বিক তথ্য বিশ্লেষণ করে পুলিশের বিশেষ টিম বিকেল ৩টার দিকে বাবুলকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিট থেকে ৯টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে মাত্র ১০ মিনিটে একে একে তিনজনকে হত্যা করে সে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত গৃহপরিচারিকা তাহমিনার সঙ্গে ১৫ থেকে ২০ দিন আগে বাবুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বাবুল পেশায় কসাই এবং মাঝেমধ্যে রংমিস্ত্রির কাজ করতেন। ওই বাসায় আগে কাজ করার সুবাদে বাসার বাসিন্দাদের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল।

কমিশনার জানান, বুধবার সকালে বাবুল ওই বাসায় গিয়ে দরজায় নক করলে তাহমিনা দরজা খুলে তাকে ভেতরে নিয়ে যান। এরপর একটি কক্ষে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবুল সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে তাহমিনাকে আঘাত করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তাহমিনার চিৎকার শুনে গৃহকর্ত্রী সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁর সঙ্গে বাবুলের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকেও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

তিনজনকে হত্যার পর বাবুল বারান্দা দিয়ে নিচে নেমে পালিয়ে যায় বলে জানান পুলিশ কমিশনার। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে রায়নগর এলাকা থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির জানান, বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে মিতালী ১১১ নম্বর বাসার পাশের ঝোপঝাড়ে অভিযান চালানো হচ্ছে।

নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Single News Bottom

সারাদেশ থেকে আরও দেখুন

নিচে স্ক্রল করলে পরবর্তী সংবাদ আসবে