এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়েও বাঁচানো গেল না রাবি শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরাকে
Tarek Monower Yeasin
ভেরিফাইড রিপোর্টার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরাকে বাঁচাতে নেওয়া হয়েছিল সর্বোচ্চ চিকিৎসার উদ্যোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না। ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৭ মিনিটে চেসি ত্রিপুরার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এএইচএম খুরশীদ আলম।
চেসির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। তিনি জানান, চেসিকে বাঁচাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। আরও কিছু করার সুযোগ থাকলে সেটিও করা হতো বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সাবধানে চলাফেরা ও নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান উপাচার্য।
গত ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজশাহীর বাঘমারা থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন চেসি ত্রিপুরা। প্রথমে তাঁকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়। মাথার ডান পাশে গুরুতর আঘাত ও অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছিল তাঁর।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন চেসি।
চেসি ত্রিপুরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গায়।
